পুর্বাঞ্চলে রেলের উচ্ছেদ কাজে আসছে না পুণরায় দখলে ভূমিদস্যুরা

Posted by


চট্টগ্রাম সিআরবি তুলাতলী বস্তি রেলের জায়গা পুণরায় দখলে নিয়েছে ভূমিদস্যুরা প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় কাজে আসছেনা রেলওয়ের লাখ লাখ টাকা খরচ করে সম্পন্ন করা উচ্ছেদ অভিযান। রেল কোয়ার্টারে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে চলছে মাদকের ব্যবসা অভিযোগ।একদিকে উচ্ছেদ সম্পন্ন হলেও তার কয়েক দিনের মাথায় সেই জমি পুণরায় দখলে নিয়ে যাচ্ছে ভূমিদস্যু সিন্ডিকেট। রেলওয়ের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার গাফিলতি ও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদেই চলছে বলে অভিযোগ ওঠছে।এদিকে গোয়ালপাড়ার তুলাতলী বস্তি রেলওয়ের প্রায় তিন একর জায়গা অবৈধ ভাবে দখল করে যুগের পর যুগ বসবাস করছে। গত বছরের ২০ মার্চ একটানা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে রেলওয়ের এস্টেট বিভাগ এই দুটি বস্তির সবঘরবাড়ি (৮৩৭টি) উচ্ছেদ করেছিল।তবে রেলওয়ের এস্টেট বিভাগের উচ্ছেদের এক মাস পর প্রকৌশল বিভাগ লোহার বিট দিয়ে পুরো এলাকা ঘেরাও দেয়। কিন্ত অবৈধ দখলদাররা রাতারাতি রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনীর সামনে আগের মতো দখল করে পেলেছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান একটি প্রভাবশালী মাদক ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন যাবৎ জায়গাগুলো দখল করে বস্তি ঘর নির্মান করে ভাড়ায় লাগিয়ে ব্যবহার করত এবং এখানে একটি বিশাল মাদকের হাট গড়ে তুলেছিল।আরএনবি সদস্য ও এস্টেট শাখার কতিপয় ব্যক্তি দখলদারের সাথে সখ্যতার অভিযোগ রয়েছে।রেলওয়ে পুর্বাঞ্চলের ভূসম্পত্তি অফিসের কর্মকর্তারা জানান, উচ্ছেদ পর্যন্তই এস্টেট শাখার দায়িত্ব তারা উচ্ছেদ করে প্রকৌশল বিভাগকে বুঝিয়ে দেয় পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব প্রকৌশল বিভাগের। অভিযোগ রয়েছে রেলওয়ের কর্মকর্তাও কর্মচারীদের ম্যানেজ করে রেলের পানি–বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে।সিআরবিতে পুরুষের পাশাপাশি মহিলারাও নেমেছে মাদক ব্যবসায়। সিআরবি তুলাতলি সিলগলা করা রেলওয়ে কোয়ার্টার নং পিএইচসি-০১,৪০-এইচ ০৩ রেল কোয়ার্টারে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যাবসা শুকুর নামে এক ব্যাবসায়ী। খবর নিয়ে জানা যায় শুকুর হচ্ছে পুলিশের সোস তার ভয়ে আশেপাশে কেউ মুখ খুলে না,শুকুরে নিয়ন্ত্রণে তারছোট দুই ভাই আলম,মানিকে গড়ে তুলেছে মাদকের বিশাল হাট। এই সুযোগে আশেপাশে থাকা বস্তিগুলোকে টার্গেট মাদক সেবনের নিরাপদ জোন। জুয়ার পাশাপাশি গভীর রাত পর্যন্ত চলে এখানে মদ ও বিভিন্ন নেশার আসর।
সিআরবি আশেপাশে বস্তি ঘিরে জমে ওঠেছে মাদকের রমা হাট। মাদক ব্যবসায়ীরা টার্গেট করেন স্কুলও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের।
বিশেষ সৃত্রে জানা যায়,রেলওয়ে ব্রয়লার এভিনিউ কলোনি জামতলা আলো আক্তার প্রকাশ খালাম্মা নিয়ন্ত্রণে গড়ে তুলেছে মাদকের বিশাল হাট।তার রয়েছে মাদকের বিশাল নেটওয়ার্ক বাহিনী চট্টগ্রামে বিভিন্ন থানায় মাদক মামলা আছে ৮ টি যার মধ্যে আবার ৬ টি মামলার ওয়ারেন্টের আসামি এই রয়েছে।তার সিন্ডিকেট মধ্যেই রয়েছে,
আলতাফ বাবু, এনায়েত বাজার গোয়াল পাড়ায়,তহিদ,জনি, রেলওয়ে ব্রয়লার এভিনিউ কলোনিতে অলি,খলিল,শেফাল, অনেক জামতলা কলোনিতে মিলন,জনি, রুবেল,রাজু,শুকতারা, মুন্নীসহ আরো অনেক।এব্যাপারে জানতে চাইলে,রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা সৃজন চৌধুরী বলেন,আমরা উচ্ছেদ করার পর উচ্ছেদকৃত জায়গা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব প্রকৌশল বিভাগের।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে,রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রকৌশলী–২ রফিকুল ইসলাম বলেন, তুলাতলী বস্তি উচ্ছেদের পর আমরা লোহার বিট দিয়ে ঘেরা দিয়েছি।এই জায়গায় কোনো অবৈধ দখলদার আবার প্রবেশ করছে কিনা সেটা দেখার দায়িত্ব আরএনবির।
সিআরবি তুলাতলি সিলগলা করা রেলওয়ে কোয়ার্টার নং পিএইচসি-০১,৪০-এইচ ০৩ রেল কোয়ার্টারে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে মাদকের ব্যবসা চলছে।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে, আতিক (আই ডাব্লিউ) বলেন,আমি জানি না খবর নেব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *